গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য টিকা প্রদান জরুরী!

প্রকাশিত: 4:11 AM, September 1, 2021

কভিড-১৯, করোনা ভাইরাস এর দৌরাত্ব সারা বিশে^র ন্যয় আমাদের বাংলাদেশেও মারাত্মক ভাবে ছড়িয়েছে। দেশের আপামর জনতা এই ভাইরাসের কপলে পড়ে দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। সকল মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। লক ডাউন দিয়ে দেশের মানুষের মাঝে এই ভাইরাস আক্রমন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করেছে সরকার বারংবার কিন্তু দেশের মেরুদন্ড শক্তকারী শতভাগ রপ্তানীমূখী গার্মেন্টস শিল্পের দিকে বিশেষ নজর দিতে সরকার লক ডাউন চলাকালীনও গার্মেন্টস কারখানা গুলি খোলা রাখেন। উল্লেখ্য যে, সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখা সহ নানাবিধ বিধি নিষেধ আরপ করা হয় এই করোনাকালীণ সময়ে। আশুলিয়া থানাধীন বিশে^র অন্যতম লিড প্লাটিনাম কারখানার এইচ্ আর, এডমিন এন্ড কমপ্লায়েন্স এর মহাব্যবস্থাপক মিঃ র‌্যাক লিটন বলেন, গার্মেন্টস কারখানায় সকল বিধি নিষেধ বা সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হলেও সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। তিনি বলেন এআর জিন্স প্রোডিউসার লিঃ যেহেতু আর্ন্তজাতিক মানের একটি কারখানা তাই সকল দিক বিবেচনা করতঃ কারখানায় যাতায়াত, প্রবেশ, বহিঃগমন সহ কারখানার ভিতরে মাস্ক পরিধান সহ হাত পরিস্কারের বিভিন্ন সামগ্রী প্রদান করা হয় এবং কঠোর ভাবে তা প্রতিপালিত হয় কিন্তু সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখা সত্যি সম্ভব। তাই তিনি বলেন এই মহামারী থেকে রক্ষার একমাত্র উপায় সকল শ্রমিকদের কভিড-১৯ এর টিকার আওতায় আনা। তিনি বলেন এইচ আর বিভাগের তত্ববধানে অনেক শ্রমিকের তারা রেজিষ্ট্রেুশন করলেও অনেক দিন হলেও তারা কোন টিকার তারিখের কোন মোবাইল ম্যাসেজ পাইনি এবং আরও উল্লেখ করেন যে, টিকা নিতে গেলে দিনের পুরাটাই ব্যয় করতে হয়। তাই শ্রমিকরা যদি টিকা নিতে যায় তাহলে কারখানার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। গার্মেন্টস কারখানার একটি সুইং লাইনে যদি ২/৪জন অনুপস্থিত থাকে তাহলে সেই লাইনে প্রোডাকশন দেয়া সম্ভব নয় তাই প্রতি নিয়ত সারা দিনের জন্য যদি কোন গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিক টিকার জন্য ব্যয় করেন তাহলে সেই কারখানার প্রোডাকশন বন্ধ হয়ে যাবে। তাই দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে সাধারণ মানুষের আগে গার্মেন্টস কারখানার ভিতরে বুথ করে সকল শ্রমিকদের টিকা প্রদান করতে হবে। শ্রমিক বাঁচলে দেশ বাঁচবে তিনি এই ্েশ্লাগানকে সামনে রেখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন যদি সম্ভব হয় তাহলে অতিব তাড়াতাড়ি দেশের বৃহৎ স্বার্থে প্রত্যেকটি গার্মেনটস কারখানায় বুথের ব্যবস্থা করে টিকা প্রদান করা হোক। না হলে করোনা কোন দিনও শেষ হবেনা। গার্মেন্টস শ্রমিক দেশের প্রত্যেকটি জায়গায় ছড়িয়ে আছে এবং তারা স্বাভাবিক ভাবে জোট বেধে কাজ করে তাই প্রথমতঃ গার্মেন্টস শ্রমিকদের টিকার আওতায় আনা জরুরী।