এখন পর্যন্ত পোশাক শ্রমিক বেকার হয়েছে সোয়া তিন লাখ, বিলস

প্রকাশিত: 6:02 PM, August 28, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার থাবায় ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছেন ৮৭টি কারখানায় ২৬ হাজার পোশাকশ্রমিক। ছাঁটাই প্রক্রিয়া অনেকাংশেই আইন না মেনে সম্পন্ন করা হয়েছে। করোনার প্রভাবে ১ হাজার ৯১৫টি পোশাক কারখানা বন্ধ ও লে-অফ হয়েছে বলে জানা গেছে। আর এসব কারখানায় প্রায় ৩ লাখ ২৪ হাজার ৬৮৪ শ্রমিক হয়েছেন বেকার।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) এর তথ্য কর্মকর্তা মামুন অর রশিদ। এর আগে বৃহস্পতিবা (২৭ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘কোভিড-১৯, তৈরি পোশাক শিল্পে শোভন কাজের পরিস্থিতি পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তারা।

এসময় বিলস’র উপদেষ্টা ও শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (স্কপ) যুগ্ম সমন্বয়কারী নইমুল আহসান জুয়েল লিখিত বক্তব্যে জানান, লকডাউন চলাকালে মজুরি না পাওয়া, কারখানা খোলা ও বন্ধ রাখার বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সিদ্ধান্তের কারণে পোশাকশিল্পের শ্রমিকেরা সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হোন। এ ছাড়া করোনাকালে আবাসস্থল সংকট, বিনা নোটিশে শ্রমিক ছাঁটাই, কারখানা লে-অফ ও মজুরির দাবিতে বিক্ষোভসহ নানা কারণে শ্রমিকদের টিকে থাকতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে।

এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ইন্ডাস্ট্রি–অল বাংলাদেশ কাউন্সিলের (আইবিসি) সাধারণ সম্পাদক চায়না রহমান, বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ওয়ার্কার্স সলিডারিটির সভাপতি রুহুল আমিন, বিলস পরিচালক নাজমা ইয়াসমীন প্রমুখ। বিলসের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বক্তব্যে বলা হয়, লকডাউন চলাকালে মজুরি না পাওয়া, কারখানা খোলা ও বন্ধ রাখার বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সিদ্ধান্তের কারণে পোশাকশিল্পের শ্রমিকেরা সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া করোনাকালে আবাসস্থল সংকট, বিনা নোটিশে শ্রমিক ছাঁটাই, কারখানা লে-অফ ও মজুরির দাবিতে বিক্ষোভসহ নানা কারণে শ্রমিকদের টিকে থাকতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে।

বন্ধ হওয়া বেশির ভাগ কারখানা গুলোতেই ট্রেড ইউনিয়ন রয়েছে বলে জানান শ্রমিক নেতারা। নেতারা বলেন, শ্রমিক ছাঁটাই হলেও সরকারের কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তবে শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়া থেকে শুরু করে ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন সবই বন্ধ রাখা হয়েছে।

এসময় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে কাজ করানোর কথা থাকলেও অধিকাংশ কারখানায় তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের।

টিএমএম/শ্রমিক দর্পণ