শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২০, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপণ দিন * আপনার চোখে পড়া অথবা জানা খবরগুলোও আমাদের কাছে গুরুত্বর্পূণ তাই সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুনঃ ‍shromikdarpan@gmail.com * আপনার পাঠানো তথ্যর বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব * সারাদেশে জেলা, উপজেলা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগীর পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে * আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন * মোবাইলঃ ০১৯২৯৭৫৪৫৩০।
সংবাদ শিরোনাম :
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় নারী শ্রমিককে মারধর; বিচার চাওয়ায় চাকুরীচ্যুত

আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় নারী শ্রমিককে মারধর; বিচার চাওয়ায় চাকুরীচ্যুত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাভারের আশুলিয়ায় কুমকুমারি এলাকায় চান্তিক নামক পোশাক কারখানায় আরজুমা নামের একজন নারী শ্রমিককে মারধর করে কারখানা থেকে বের করার অভিযোগ পাওয়া যায়।

জানা যায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১১ টার সময় তাকে জোর পূর্বক কারখানা থেকে বের করে দেওয়া হয়।

উক্ত কারখানার অপারেটর ভোক্তভোগী আরজুমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমি ২০১৮ সাল থেকে এই অফিসে চাকরি করে আসছি গত ৮ তারিখ রাত সাড়ে ৯টার দিকে কারখানায় কাজ করতে ছিলাম এমতাবস্থায় আমার মেশিনে কাজ না থাকায় আমি টয়লেটে যাই টয়লেট থেকে ফিরে আসার পর সুপারভাইজার হৃদয় আমাকে ডেকে নিয়ে যায় এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে একপর্যায়ে আমাকে মারধর করতে থাকে সে আমার গালে থাপ্পড় দেয় এবং আমার চুলের মুঠি ধরে মারতে থাকে আমি অনেক অনুনয় বিনয় করি এবং আমাকে গালিগালাজ এবং মারতে নিষেধ করি আমি আমার ম্যানেজার রাশেদ স্যারের নিকট বিচার দেই ও রাত ১১টা পর্যন্ত ডিউটি করি। ছুটি হওয়ার পর বাসায় চলে যাই।

তিনি আরও বলেন, পরদিন সকালে যথারীতি আমি কারখানায় কাজে যোগদান করতে গেলে আমাকে কাজ দেওয়া হয় নাই আমাকে বলা হয় আমি নাকি সুপারভাইজার এর সাথে তর্ক করেছি আমি আমার ম্যানেজার স্যারকে বলেছি উনি সবার সামনে আমাকে অনেক খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করেছে এবং চুলের মুঠি ধরে চর থাপ্পড় দিয়েছে আমি উনার কাছে বিচার চেয়েছি এটা আমার অপরাধ তাই আমাকে ডিউটি না দিয়ে কারখানার গোডাউনে নিয়ে যায় সেখানে সকাল ১১টা পর্যন্ত আটকিয়ে রাখে। আটকে রাখার পর আমাকে ১১টার পরে অফিসের পাঁচ তালায় নিয়ে যায় সেখানে সাদা কাগজ নেন এবং জোর পূর্বক আমার সই নিয়ে আমার অফিসে ব্যবহিত আইডিকার্ডটি রেখে আমাকে বের করে দেয়। এসময় আমি অনুরোধ করলে আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয় এবং বলে যে চুপচাপ বের হয়ে যাবি কাউকে কিছু বলবি না।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সুপারভাইজার হৃদয়ের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে সে তার ইনচার্জকে ধরিয়ে দেন এবং ইনচার্জ বলে কবে ঘটনা ঘটেছে কি হয়েছে এ বিষয়ে আমরা কিছুই জানিনা আমরা আপনাদের সাথে দেখা করব বলে লাইনটি কেটে দেন।

এ বিষয়ে উক্ত কারখানার এইচ আর এডমিন খায়ের এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান বিষয়টা আমি জানিনা এবং আমি ছুটিতে আছি এসে দেখবো বলে এড়িয়ে যান এবং লাইনটি কেটে দেন।





©SHROMIK DARPAN All rights reserved
Design BY PopularHostBD