রবিবার, ০৫ Jul ২০২০, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপণ দিন * আপনার চোখে পড়া অথবা জানা খবরগুলোও আমাদের কাছে গুরুত্বর্পূণ তাই সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুনঃ ‍shromikdarpan@gmail.com * আপনার পাঠানো তথ্যর বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব * সারাদেশে জেলা, উপজেলা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগীর পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে * আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন * মোবাইলঃ ০১৯২৯৭৫৪৫৩০।
সংবাদ শিরোনাম :
রাতের আঁধারে কারখানা থেকে মেশিন স্থানান্তর, শ্রমিকের হাতে আটক ২ শ্রমিকদের জন্য ৪০ হাজারেরও বেশি মাস্ক দিলেন ‘ডব্লিউআরসি’ বকেয়া বেতনের দাবিতে আশুলিয়ায় পোশাক নীট কারখানার শ্রমিকদের অবস্থান নিরুপায় ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকরা, স্বপ্ন ভঙ্গে ফিরছেন গ্রামে আশুলিয়ায় শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ মারধরের বিচার চাওয়ায় পতিতার অপবাদ; বিচার না পেলে আত্মহত্যার হুমকি নারী শ্রমিকের করোনা মুক্তি কামনায় শ্রমিকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন শ্রমিক নেতা ইমন শিকদার শ্রমিক ভাই-বোনদের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন শ্রমিক নেতা সরোয়ার করোনা সুরক্ষায় শ্রমিকদের কর্মস্থল এলাকায় ঈদ পালনের আহবান শ্রমিক নেতা ইব্রাহিমের করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব বিলীনের প্রত্যাশায় শ্রমিকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন শ্রমিক নেতা মাসুদ রানা

বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে

সৌন্দর্য স্থান কাল পাত্র ভেদে ভিন্নতর হয়ে থাকে। উপযুক্ত পরিবেশেই উপযুক্ত সৌন্দর্য বজায় থাকে। কর্দমাক্ত জায়গায় পদ্ম ফুল ফোটে এবং সেখানে তাকে মানায়ও সুন্দর। পদ্ম ফুল স্বচ্চ পানিতে রাখলে তা এতটা মননশীল হয়না। বাঘ যতটা সুন্দর দেখায় বনে, এতটা সুন্দর চিরিয়াখানায় দেখায়না। কিন্তু আমরা মানব জাতি প্রতিনিয়তই তাই করি। সুন্দর হলেই তাকে নিজের বিছানায় নিয়ে আসি। বনে ফুল ফুটলে দেখতে ভাল লাগে। পাখির গান বণের মাঝেই ভাল লাগে। বর্তমানে আমরা ফুল, গাছ, পশু, পাখি সহ হিং¯্র জীব যন্ত্র ঘরের মাঝে স্থান করে দিয়ে নিজেদের মাঝে নিজেই বিপদ ডেকে আনছি। যেমন খাল কেটে কুমির আনার মত। মানব শিশুকে যদি বনের মাঝে রাখা হয় তা সত্যিই বেনানসই। কারণ মানব শিশুকে আমরা নিজেদের মত ভালবাসি। টিয়া পাখিকে যখন ঘরের মাঝে ছোট্ট খাঁচায় বন্ধি রাখি, তখন টিয়া পাখির মা বাবা বা তার গোত্রের সকলের কাছে যে এটা খারাপ লাগে তা আমরা বুঝিনা বা বুঝতে চাইনা।
আমরা ঘরকে করেছি বণ। বণকে করছি উজার। ঘরের মাঝে বিভিন্ন গাছ-গাছালি, পশু, পাখি, ইত্যাদি দিয়ে বনে রুপান্তর করছি। তাহলে এখানে এডিস মশার দোষ কোথায়? কেন এখন এডিস মশার প্রজননস্থলকে ধ্বংস করার জন্য আমরা এত চাপাচাপি এবং কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছি। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ জেনেও বসে থাকি কবে এডিস মশা এসে আমাদের হানা দিবে আর তখন সব কিছু ছেড়ে মশার ক্ষতি সাধনে নেমে পড়বো।
কেন এমনটি করি আমরা? এর কোন উত্তর জানা আছে কিনা জানিনা।
আগে নিজের বাসভূমি মানব জীবনের মত গড়ে তুলুন। আর যাদের নিজের বাড়ি ঘরকে বণ তৈরী করতে ইচ্ছুক তারা বনে গিয়ে বসবাস শুরু করুন। দেখবেন এডিস মশায় আক্রান্ত হতে হবেনা।
একজনের মনের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে হাজার হাজার মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করা উচিৎ নয়। নিজের ঘর, বারান্দা, ছাদ থেকে গাছ সরিয়ে ফেলুন। পশু পাখিকে নিজ ঘরে ছোট্ট খাঁচায় না আটকিয়ে ছেড়ে দিন। তাহলে মানব সমাজও ভাল থাকবে। বণের পশু পাখিও ভাল থাকবে। ভাল থাকবে অক্সিজেন ফ্যাক্টরী বন। সবাই বনের দিকে খেয়াল করুন, নিজে ঘরে বণ করতে গিয়ে বড় বড় বনকে কেটে উজার করছে মানুষ নামের কিছু কুলঙ্গার, তাদেরকে আটকান।
তাহলে ডেঙ্গু, প্লেগ সহ পশু পাখি, জীব যন্ত্র, কীট পতঙ্গ থেকে উৎপাদিত রোগ মানব শরীরে আক্রমন করবেনা।
মানুষের মধ্যে ছড়ানো প্রতি ১০টি পরিচিত সংক্রামক রোগের মধ্যে প্রায় ৬টি রোগ ছড়ায় পশুপাখি থেকে। অতএব আমরা নিজ বাসভূমিকে সত্যিকারের বাসভূমি হিসাবে গড়ে তুলুন। শেষ কথা বলতে চাই “বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে”

সম্পাদক-র‌্যাক লিটন





©SHROMIK DARPAN All rights reserved
Design BY PopularHostBD